দ্য আল্টিমেট সায়েন্স ফিকশন

Home/দ্য আল্টিমেট সায়েন্স ফিকশন

দ্য আল্টিমেট সায়েন্স ফিকশন

(দ্য আল্টিমেট সায়েন্স ফিকশনঃ১মপর্ব)

পৃথিবী থেকে প্রায় ৪৫০ আলোকবর্ষ দূরে বার্থ (BEARTH) নামের নতুন এক গ্রহে মিলেছে প্রানের স্পন্দন। সেখানে জীবিত প্রাণীগুলোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো তাদের খালি চোখে দেখা যায়না। তার কারণ তাদের শরীরের উপাদানগুলো এক ধরণের বিশেষ জৈব কোষের দ্বারা তৈরী যা সম্পুর্নরুপে স্বচ্ছ। নতুন এই গ্রহটি এবং সেখানকার প্রাণীদের নিয়ে নাসার বিশেষজ্ঞ একটি দল আগামী ৫ বছর মেয়াদী একটা প্রকল্প গ্রহন করেছে।

তাছাড়া গত শতকে মঙ্গল গ্রহকে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলার প্র্রক্রিয়ায় অর্জিত সফলতা মানব সভ্যতার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। অন্যদিকে ‘SERINA’ গ্রহে নতুন প্রজাতির সাথে পৃথিবীর যোগাযোগের মাধ্যমে মানব সভ্যতা এগিয়ে যাচ্ছে মহাবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে। মজার ব্যাপার হলো প্রায় কয়েক যুগ আগেই পৃথিবী থেকে সমস্ত দুরারোগ্য মরণব্যাধির বিলুপ্তি ঘটেছে। এখন মানব শরীরে প্রতিষেধকগুলি জন্মের পরপরই ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। আর থ্রি-ডি প্রিন্টারের মাধ্যমে শরীরের যে কোন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ইচ্ছে করলেই নকল করে প্রতিস্থাপন করা যায় নির্ভুলভাবে। কিন্তু বর্তমান সময়ের প্রধান সমস্যা হলো পৃথিবীব্যাপী মৃত্যুর হার ০.০০১% নেমে যাওয়া। আপনি এখন ভাবছেন, সেটা আবার কিভাবে? মানুষের মরণব্যাধি যেমন ক্যান্সার, এইডস, এ্যবোলা এমনকি হার্ট কিনবা কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রযুক্তি এতটাই উন্নত হয়ে গেছে যে সফলতার হার প্রায় ৯৯.৯৯ শতাংশ। এখানে একটা প্রশ্ন থেকে যায় – তাহলে দুর্ঘটনা জনিত মৃত্যু কিভাবে রোধ করা করা যাবে। চলাচল মাধ্যম তো আর আগের মত নেই। এখন মানুষ চলে সুপারসনিক হাইওয়ে দিয়ে। এইটা অনেকটা সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে ইন্টারনেটে উচ্চ গতিতে ডাটা ট্রান্সফার ব্যাবস্থার মত। এর মাধ্যমে ট্রান্সপোর্টেশন ব্যবস্থায় ঘটেছে সীমাহীন অর্জন। আদিম যুগের (২০০০-৩০০০ সাল) মত এখন মানুষের আর ট্রাফিক জ্যাম হয়না। কারণ ফিজিক্যলি দৃশ্যমান কোন ট্রান্সপোর্টই নেই। কোন কার্বন এমিশন নাই। মনে হতে পারে সেটা আবার কি। এ ব্যবস্থার নাম ভয়েড ট্রান্সপোর্ট। মানুষের শরীরের ৭০% তরল আর ভয়েড ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে মানব শরীর লিকুইড এবং সলিডে ভাগ হয়ে যায়। যে কারনে সলিড অংশ অনেক কমে আসে। আর তা পরিবহন করতে মাসট্রান্সপোর্ট কম হয় বলে খরচ অনেক কম। আর সেটা আবার পরিচালিত হয় হাই প্রেসার সরু পাইপ লাইনের মাধ্যমে। এ যন্ত্রে এক দিকে থাকে রিসিভিং ডিভাইস আর অপরপ্রান্তে ট্রান্সমিটার। ধরুন আপনি বাংলাদেশ থেকে অমেরিকা যেতে চান সেখানে আপনাকে হাইস্পীড সাবমেরিন ক্যাবলে এ যুক্ত করা হবে। ট্রান্সমিসন এর জন্য বিশেষ একটি ঘরে ঢুকলে আপনাকে মুহূর্তে এক একটা পরমাণু তে বিভক্ত করা হবে। যেটা বিদ্যুৎ পরিবহনের মতো উচ্চ গতিতে স্থানান্তর হবে আর আপনি অপর প্রান্তে পৌছালে আপনার শরীরের ডিএনএ অনুযায়ী সেগুলো মিলিত হবে আর তরল অংশ (যেমন ব্লাড, বিভিন্ন প্রকারের হরমোন) যা কিনা ভ্রমনকারীর গন্তব্য স্টেশনে পুনর্গঠন হবে মুহুর্তের মধ্যে (উচ্চ মাত্রার জৈব-রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে)। এতে একজন আরোহী হিসেবে আপনার শাররীক কোন ক্লান্তিবোধ হবেনা। আপনি মনে করবেন আপনি কিছুক্ষনের জন্য ঘুমিয়ে ছিলেন। যেখানে আপনার আমার শরীরের সলিড সাবস্টেন্স এমনকি তরল পদার্থ যেমন রক্তও পরিবহন করার প্রয়োজন হবেনা। প্রতিটি স্টেশনে মানুষের ডিএনএ সংরক্ষিত হবে একটা বিশেষ ইলেক্ট্রনিক কোডের মাধ্যমে। সেটা একটি ইলেকট্রন কম্পিউটারের ন্যনো প্রযুক্তির সমন্বয়ে ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনালে রূপান্তরিত করা হবে। আর সেই সিগন্যালগুলো কম্পিউটারের ডাটার মতো পাঠানো হবে বিশেষ প্রযুক্তি দিয়ে। অনেকটা আমরা যেমনটা ডাটা ডাউনলোড করে থাকি। এভাবে একটি ডাটা প্রসেসিং যন্ত্রের সাহায্যে উক্ত ডাটা থেকে নির্দিষ্ট্য হারে জৈব-কেমিক্যাল রিয়েকশন ঘটানোর মাধ্যামে আবার তাকে তার শরীরে ফিরিয়ে আনা হবে। এ প্রক্রিয়াটি সময় সাপেক্ষ। সম্পুর্ন প্রসেসটি কমপ্লিট হতে প্রায় ১ দিন সময় লাগে (২৪ ঘণ্টা) লাগবে। তবে তা শুধুমাত্র প্রথম বারের জন্য আর পরের বার কম্পিটারের সংরক্ষিত ডাটা থেকে যেকোন যায়গায় যাতায়াতের সময় কোন বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হবেনা। তাই সারা পৃথিবী পরিভ্রমণ করা এখন প্রায় রিয়েল টাইমে সম্ভব। তবে এক দেশ থেকে অন্য দেশে ভ্রমনে আগের মত পাসপোর্ট ভিসা প্রয়োজন নেই। কারণ সারা পৃথিবীতে জীবন ধারণের স্টান্ডার্ড প্রায় সমান। অনুন্নত বলে কোন শহর নেই। অভাবগ্রস্ত কোন মানুষ নেই। দেশভেদে আলাদা আলাদা রাজনৈতিক নেতা নেই। জাতি, বর্ন, গোত্র বলে কোন প্রথা নেই। অশক্ষিত বলে কোণ শব্দ নেই। কারণ প্রয়োজনে মানুষ কম্পিউটারের সফটওয়্যার এর মত নির্দিষ্ট তথ্য হিউম্যান ব্রেইনে ইন্সটল করে নিতে সক্ষম। সেক্ষেত্রে জাতিভেদে ভিন্য ভাষা শেখার কোন প্রয়োজন নেই। বিশেষ প্রয়োজনে ‘ট্রান্সলেটর’ এ্যপসটি ব্রেইনে ইন্সটল করে নিলেই রিয়েল টাইম ল্যঙ্গুয়েজ শতভাগ নির্ভুল ভাবে আদান প্রদানের সময়ে ব্রেইনের মধ্যে ভাষান্তর হয়ে যাবে।

এখনতো চিরস্থায়ী মৃত্যু একটি কাল্পনিক বিষয়। তাছাড়া মানুষের মৃত্যু এখন সেতো সাময়িক একটা বিষয় মাত্র। যেমন কাউকে যখন খুব বেশী অবসাদে পেয়ে বসে তখন স্বেচ্ছায় ৫০ বছর কিংবা ১০০ বছরের জন্য মানুষ দীর্ঘ নিদ্রায় যেতে পারে। কারণ, মানুষ এত বেশী লম্বা জীবন যাপনের পর কোন একসময় একঘেয়েমি বোধ করে।

সবকিছু যেহেতু টেকনোলজি নির্ভর তাই সারাবিশ্ব এখন একটি ইউনিভারসেল গ্রিড কানেকশনের সাথে যুক্ত। তাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরনে কোন বৈষম্য নেই। বাড়ির দেয়াল কিনবা গাড়ীর অবকাঠামো সবি প্রায় উচ্চ খমতা সম্পন্ন সোলার সেলে গড়া। তাছাড়া রাস্তা ঘাট কিনবা খোলা মাঠ সবি রিনিওয়েবল ইনার্জি তৈরীতে সক্ষম। তাই অতি মাত্রার ইনার্জির প্রয়োজন হোলেও তা পরিবেশ বান্ধব উপায়ে তৈরী হয়ে থাকে।

তথাপি এমন সব এনটিডট আবিষ্কৃত হয়েছে যা মানুষের শরীরে কোন ব্যাক্টেরিয়া কিনবা জটিল ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়া থেকে সুরক্ষা প্রাদানে সক্ষম। তবে এতে সবচেয়ে বেশী ক্ষতির মুখে পড়েছে ঔষধ কোম্পানি। সেইসাথে মেডিক্যাল সায়েন্স এবং ডাক্তার সম্প্রদায়। কারণ, চিকিৎসা বিজ্ঞানে সফটওয়্যারের ব্যাবহার বেড়ে যাওয়া। আজকাল সফটওয়্যার কোম্পানীগুলো এমনসব সফটওয়্যার তৈরি করছে যেগুলো বিশেষ ফ্রিকুয়েন্সি তৈরি করতে সক্ষম যা মানুষের শরীরে ট্রিট্মেন্টের কাজ করে। এছাড়াও কিছু কিছু সফটওয়্যার মানুষের আবেগ অনুভুতিও পরিবর্তন করে দিতে সক্ষম। এখন যেমন কম্পিউটারে ভিডিও গেইম খেলে অনেকে আশক্ত হন আথবা মুভি দেখে বিনোদন করে থাকেন। সেরকম মনের অবসাধ দূর করা কিনবা দুঃখবোধকে চাইলেই সফটওয়্যার দিয়ে দূর করা সম্ভব। আবার এ্যন্টি ভাইরাসের মত কিছু সফটওয়্যার জৈব সেলে ইন্সটল করলে তা আগাম সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে শরীরে কাজ করবে। সে ক্ষেত্রে ডেভেলপার কোম্পানীকে বাৎসরিক একটি রেটে টাকা পরিশোধ করতে হবে যেমনটা আমরা আমাদের পারসোনাল ডিভাইসে ইন্টারনেট সিকিউরিটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি।

পৃথিবীতে যদি কোন সমস্যায় না থাকে তবে পৃথিবীর মেধাবী জাতি এখন কি করছে? হ্যাঁ, কাজ তো করছেই তবে তা ভিন্ন গ্রহের জীবন মান নিয়ে, তাদের শিক্ষা নিয়ে, তাদের সাংস্কৃতিক পরিবর্তন নিয়ে। কারণ, নতুন নতুন গ্রহের আর্থসামাজিক অবস্থা ভীষন খারাপ। যেমনটা কয়েক শতক আগেও প্রিথিবীর বুকে আফ্রিকান অঞ্চলে বিরাজমান ছিল।

পৃথিবীতে যেহেতু বসবাসের জন্য সকল দেশে মান ও নিরাপত্তা প্রায় একই রকম তাই সেখানে আর কোন পাসপোর্ট ভিসার প্রয়োজন হায় না। তবে এক গ্রহ থেকে অন্য গ্রহে যেতে প্রয়োজন পড়বে সে ডিজিটাল ভিসার। তার কারণ, গরীব গ্রহের প্রাণীরা উন্নত জীবন আর এতো সুন্দর পৃথিবীর কথা জেনে এখানে বসবাসের জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করছে। এতে পৃথিবীবাশীরা ভীত যদি অন্যরা এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পৃথিবীতে ঢুকে পড়ে তবে তা হবে পৃথিবীর পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপুর্ন। এজন্য প্রতি বছর বিশেষ শর্তে মাত্র ২০ হাজার অন্য গ্রহের প্রানীগুলোকে পৃথিবীতে মানব সপ্রদায়ের সাথে তাদের প্রথা-সংস্কৃতি উপোভোগ এবং শেয়ার করবার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ভিন্ন গ্রহের প্রানীদের অবাদে পৃথিবীতে আসতে না দেবার প্রধান কারণ নতুন রোগব্যধি থেকে পৃথিবীবাসীকে সুরক্ষা প্রদান। কারণ অজানা কোন রোগ নিরাময়ে পৃথিবীর এন্টিডট অকার্যকর হলে তা হবে পৃথিবীবাসীদের জন্য চরম ঝুঁকিপুর্ন।

মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় শূন্যের কোঠায় বলে নতুন মানুষের জন্মের ক্ষেত্রে খুব কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। আর তাই জন্মের হার অনেক কম তবে খুব ধীরে হোলেও পৃথিবীতে মানুষ বেড়ে চলেছে। তাহলে নতুন প্রজন্ম পৃথিবীতে আসবে কিভাবে? যদি পৃথিবীতে কেউ তার উত্তরসুরী হিসেবে পরবর্তী জেনারেশনের জন্ম দিতে চায় তবে তাকে পৃথিবীর ফেডারেল সরকারের কাছে দরখাস্ত করতে হবে। সেটা এই মর্মে অনুমোদন দেয়া হয় যে তাকে সেচ্ছায় কিছু দিনের জন্য মৃত্যু বরন করতে হবে (নিদ্রাগত হবে)। সেটা হতে পারে ৫০-১০০ বছরের জন্য কিনবা উক্ত ব্যক্তি এবং নবাগত ভ্রুনের মধ্যে চুক্তিপত্র অনুযায়ী। তবে নতুন বংশধর পুনরায় তার পরবর্তী জেনারেশনের জন্য নতুন ভ্রুনের জন্ম দিতে পারবেনা। যা প্রথম জেনারেশনের সাথে লিখিত চুক্তি দ্বারা ফেডারেল সরকারে মাধ্যমে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে। যেমন ধরুন আপনি একটা সন্তান নিতে চান সেক্ষেত্রে আপনার স্টেটে একটা চুক্তি হবে নবাগত সন্তান এর সাথে এরুপে যে আগামী ১০০ বছর আপনি সেচ্ছায় মৃত্যু বরন করে আপনার শরীরের ডিএনএ সংরক্ষণ করাবেন। সেক্ষেত্রে আবেদনকারীর ইচ্ছা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর আবার তাকে জীবিত করা হবে। এভাবে এক গোত্রের সর্বোচ্চ পাঁচটি জেনারেশন সর্বোচ্চ পৃথিবীতে আসতে পারবে আর এভাবে একটা হিউম্যান সাইকেলে যুগের পর যুগ মানব সভ্যতা এগিয়ে যাবে। তবে মানুষের জন্মের জন্য আবারো শিশু হতে হবেনা। যেমনটা উদ্ভিদ কলমের মাধ্যমে একি ফলের গাছ থেকে একই রকমের ফল পাওয়া যায়। আবার বীজ থেকেও নতুন বৃক্ষ জন্মায়। মানুষের মৃত সেল থেকে ক্লোনিং এঁর মাধ্যমে নতুন ভাবে জন্ম নেবে আর তার মাথার মাঝে থাকা সকল তথ্য আলাদা ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকবে ফলে নতুন জন্মের পর তার মাথায় জৈবটেকনোলজির সাহায্যে পুরাতন ব্রেনের তথ্য স্থানান্তর সম্ভব হবে। এভাবে গত শতাব্দীর মানুষ নতুন শতাব্দীতে পুনরায় জন্ম নেবে। সেক্ষেত্রে একশ বছরে ঘটে যাওয়া তথ্য উইন্ডোজ আপডেট দেবার মতোই আপডেট করার প্রয়োজন হবে। যেমন ভাষাগত পরিবর্তন টেকনোলজিক্যাল পরিবর্তন এমন আরও অনেক কিছু।

শুধু তাই নয়, এখন আর মানুষের শস্য ফলানোর প্রয়োজন হচ্ছেনা। যেকোন খাবারের কোড গুলো বিশেষ প্রক্রিয়ায় জৈব সেলে রান করালে সেখান থেকে মানুষের চাহিদা মেটে যায় আর প্রতিদিনের শক্তি অর্জনের জন্য জৈব-মাইক্রো চিপে চার্জ নেওয়া যায়। তবে সেটা নিতে মাঝে একটা কনভার্টের প্রয়োজন হবে। যেমন এসি থেকে ডিসি কিংবা ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি থেকে মেকানিক্যাল এনার্জি কনভার্ট হয়ে থাকে। চোখ রাখুন “দ্য আল্টিমেট সায়েন্স ফিকশনঃ ২য় পর্বে”।

বিঃদ্রঃ দয়া করে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আমার এই কাল্পনিক লেখাটিকে বিশ্লেষন করবেন না।এটা নিছকই একটি কাল্পনিক ঘটনা মাত্র।

২৪হেল্পলাইন.কম/এপ্রিল, ২০১৮

লেখকঃ হাসনাত বাদশা, হংকং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত বাংলাদেশী ছাত্র

By | 2018-10-18T07:01:12+00:00 April 15th, 2018|Comments Off on দ্য আল্টিমেট সায়েন্স ফিকশন